তুরস্কে দৃষ্টিনন্দন সাকিরিন মসজিদ স্থপতি একজন নারী
॥ সুমিমা ইয়াসমিন ॥

Bookmark and Share

সচরাচর মসজিদে প্রবেশ নিষেধ নারীদের। যেসব মসজিদে নারীদের নামাজের ব্যবস্থা আছে সে সব বাদে। ‘প্রবেশ নিষেধ’ এর অলিখিত সাইনবোর্ড থাকলেও তুরস্কে দৃষ্টি নন্দন সাকিরিন মসজিদ স্থাপনার কাজ করেছেন একজন নারী স্থপতি জয়নাব ফাদিলিউগ্লু। তুরস্কে তিনিই প্রথম নারী যিনি একটি মসজিদ স্থাপনার দায়িত্ব পেয়েছেন।

কিছুদিন আগে সাকিরিন মসজিদের উদ্বোধন করা হয়েছে। একটি তুর্কি-সৌদি পরিবার বাবা-মায়ের স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে মসজিদটি তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এবং এরকম মসজিদ এই প্রজন্মের জন্য ছিল সত্যিই একটি চমক। এই মসজিদে চীন এবং ব্রিটেন থেকেও শিল্পীরা এসে কাজ করেছেন।

তুরস্কের অন্যান্য মসজিদ থেকেই এই মসজিদটি দেখতে আলাদা। এই মসজিদের গম্বুজ দেখলে মনে হবে বিশাল একটি গ্লাস এ্যালুমিনিয়ামের চাদর দিয়ে ডেকে দেয়া হয়েছে। নিত্য নতুন ডিজাইন বা উপাদান ব্যবহার করে নতুন আকার তৈরি করা জয়নাবের কাছে কোন ব্যাপারই না। স্থপতি হিসেবে ইতিমধ্যে তিনি দেশে বিদেশে সুনাম কুড়িয়েছেন। দুবাই, লন্ডন, মুম্বাই-সব জায়গাতেই তাঁকে কাজের জন্য যেতে হয়েছিল। কিন্তু মসজিদের জন্য কাজ করা জয়নাবের জন্য ছিল এক সুবর্ণ সুযোগ। প্রথমে তিনি বেশ আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিলেন।

খবরটি শুনেই আমি কেঁদেছিলাম। আমার মনে হয় একজন মহিলা হওয়া সত্ত্বেও আমাকে এই দায়িত্ব দেয়া হয়েছে সেই আনন্দে আমি অভিভূত ছিলাম। বিশেষ করে এমন একটি সময় যখন ইসলাম ধর্মের ভুল ব্যাখ্যা চলছে সর্বত্র। ইসলাম ধর্ম মেয়েদের কী করতে দেয় আর কী করতে দেয় না তা নিয়ে জোর সমালোচনা। ঠিক সেই সময়েই একজন মহিলাকে বলা হল-একটি মসজিদ তৈরি করো।”

মসজিদের চত্বরে এবং ভেতরে অনেকাংশ জুড়ে রয়েছে ইস্পাত। সঙ্গে কাঁচের অসংখ্য ঝাড়বাতি। কাঁচের এই সুদৃশ্য ঝাড়বাতিগুলোই মূল আকর্ষণ। অনেকেই বলছে, নতুন ধরনের যুগোপযোগী ডিজাইন তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু জয়নাব ফাদিলিউগ্লু বলেন, তুরস্কের মতই নতুন এবং পুরোনোর সংমিশ্রণে তৈরি করা হয়েছে এই মসজিদ।

তিনি জানালেন, “আমরা যা কিছু ডিজাইন করি, সেটাই অত্যন্ত আধুনিক ধাঁচে করতে চাই। আর যাই হোক, আমরা চাই না সাধারণ মানুষ এখানে আসা বন্ধ করুক। আমরা চাই, এই মসজিদটি যেন সাধারণ মানুষদের দৈনন্দিন জীবনের একটি অংশ হয়ে ওঠে। শুধু দূর থেকে দেখে প্রশংসা করুক-সেটা আমি চাই না। তবে তারা দিনে পাঁচবার মসজিদে আসবে, নাকি সপ্তাহে একবার আসবে-সেটা সম্পূর্ণ তাদের ব্যাপার।”

ইস্তামবুলের সবচেয়ে পুরোনো করবস্থানের কাছে তৈরি করা হয়েছে মসজিদটি, শহরের সবচেয়ে রক্ষণশীল এলাকায়। যখনই কেউ মসজিদের পাশ দিয়ে হেঁটে যাবে, চোখে পড়বে স্থপতি হিসেবে বড় বড় অক্ষরে লেখা জয়নাব ফাদিলিউগ্লুর নাম। প্রকল্পের প্রধান তিনিই। তথ্যসূত্র-ওয়েবসাইট


Bookmark and Share

  • চট্টগ্রামবাসীকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, তা আমি ভুলিনি : প্রধানমন্ত্রী

    চট্টগ্রামকে সত্যিকারের বাণিজ্যিক রাজধানী করা হবে

    কর্ণফুলীর ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে

    চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণ করা হবে

    চট্টগ্রাম বিমান বন্দর থেকে মুরাদপুর পর্যন্ত ফ্লাইওভার নির্মিত হবে

    মেরিন একাডেমিতে মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয় করা হবে

    সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণ করবো, কর্ণফুলীর তলদেশে নির্মাণ করা হবে টানেল

    কালুরঘাটে নতুন রেলসেতু ও সড়ক সেতু নির্মাণ করা হবে

    আনোয়ারায় ২ হাজার মেগাওয়াট কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র হবে

    বহু প্রতীক্ষিত তৃতীয় কর্ণফুলী সেতুর উদ্বোধন


  • চট্টগ্রামের গ্যাস বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানে আরো উদ্যোগ নেয়া হবে ।। কর্ণফুলী গ্যাস কোম্পানী উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী
  • প্রধানমন্ত্রীর সফরের টুকিটাকি
  • নাড়ির টানে ছুটছে মানুষ
  • আজ চাঁদ দেখা গেলে কাল ঈদ
  • মাহে রমজানের সওগাত
line