শিরোনাম :

 

  ফেইসবুকে ভক্ত হোন টুইটারে ভক্ত হোন গুগল প্লাস এ ভক্ত হোন। সাহায্য বিজ্ঞাপন শুল্ক পাঠক প্রতিক্রিয়া রেজিস্ট্রেশন

 

২৭ ডিসেম্বর মঙ্গলবার ২০১৬ খ্রিঃ ১৩ পৌষ ১৪২৩ সাল ২৬ রবিউল আওয়াল ১৪৩৮ হিজরি
চট্রগ্রাম
তাপমাত্রা : ২৫ সে. | আর্দ্রতা : ৮৭%

আজকে অনলাইন জরিপের জন্য কোন প্রশ্ন সংরক্ষিত নেই।

অনন্য এক শিশুর রাজ্য, বিদ্যানন্দ তার নাম

রাফসান গালিব

শনিবারের শীতের সকাল। সূর্যের রশ্মির আঁচে ভোরের হালকা কুয়াশা কাটতেই নগরীর প্রবর্তক মোড়ে এক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ৫০টিরও অধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হাজারো শিক্ষার্থী আর সেইসাথে অভিভাবকদের ভিড়। নগরীর যাবতীয় যানবাহন যেন এখানেই এসে থমকে দাঁড়িয়েছে। উপলক্ষ্য শুধু মাত্র শিক্ষার্থীদের জন্য একটি প্রতিযোগিতামূলক বৃত্তি পরীক্ষা। সরকারি বৃত্তি পরীক্ষাতো এখন আর নাই। বেসরকারি পর্যায়ে যে কয়টি আছে তাঁর মধ্যে অন্যতম বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন পরিচালিত অপেক্ষাকৃত সুবিধাবঞ্চিত শিশু কিশোর শিক্ষার্থীদের জন্য এ বৃত্তি পরীক্ষা। এখান থেকেই শতাধিক শিক্ষার্থীদের দেয়া হবে সারাবছর সুষ্ঠুভাবে পাঠ-অনুশীলনের জন্য শিক্ষাবৃত্তি। গত কয়েক মাস নগরীর এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে তরুণ স্বেচ্ছাসেবকরা দৌড়ে বেড়িয়েছে আজকের বৃত্তি পরীক্ষার ফ্রি ফরম বিতরণ করতে। শুধু কি বিদ্যালয়, সুবিধাবঞ্চিত গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার জন্য বিনামূল্যে আবাসিক সুবিধাসহ প্রস্তুতিমূলক নিয়মিত কঠোর পাঠদানের মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে সংগঠনটি। সেইসাথে যারা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ভর্তির সুযোগ পাওয়ার পরেও অর্থকষ্টের কারণে ভর্তি ফি ও আনুষঙ্গিক খরচ যোগাড় করতে পারছে না, তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে বিদ্যানন্দ। সংগঠনটির অন্যতম সংগঠক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক সাঈদ আহসান খালিদের বিশেষ পরিচর্যা ও তত্তাবধানে গত দুই বছরে ২০ জন গরীব মেধাবী শিক্ষার্থী দেশের সেরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিযুদ্ধে ঈর্ষণীয় সাফল্য রেখেছে। এর আগে আরেক শনিবারে দেখলাম ষোলশহর রেলস্টেশানে ফুডভ্যান থেকে বিদ্যানন্দের তরুণ স্বেচ্ছাসেবকরা টিফিনবক্স করে মুরগি, পোলাও বিলি করছে। তরুণদের কেউ খালি বক্স নিয়ে খাদ্যভর্তি বক্স তুলে দিচ্ছে আশেপাশের বস্তি ও নিম্ন আয়ের মানুষদের শিশুসন্তান্দের হাতে। আরেকজন প্রত্যেক শিশুর থেকে খাবারের বিনিময়ে নিচ্ছে এক টাকার পয়সা। এক বাচ্চা দেখা গেল দুই টাকার নোট বাড়িয়ে দিয়ে বলে-ভাইয়া গতকালের একটাকা দেয়া হয়নি, আজকেরটা সহ দুইটাকা নেন। এক টাকার বিনিময়ে দুপুরের খাবার হাতে শিশুদের কী উল্লাস।

সব ধরনের গণমাধ্যমে এ বছরে দেশব্যাপী সাড়া জাগানো ঘটনা হচ্ছে সুবিধাবঞ্চিত ও ছিন্নমূল শিশুদের জন্য পরিচালিত বিদ্যানন্দের ‘এক টাকায় আহার’র এ কার্যক্রম। সমাজে শিক্ষা অর্জনে পিছিয়ে পড়া শিশুদের নিয়েই বিদ্যানন্দের যাবতীয় উদ্যোগ। শিশুদের জন্য ছোট্ট একটা পাঠাগার দিয়ে সংগঠনটির কার্যক্রম শুরু হলেও এটি এখন নিয়মিত পাঠদান, বিনাপয়সায় উম্মুক্ত শিক্ষাসেবা দিয়ে যাচ্ছে। তবে বিদ্যানন্দের সবচেয়ে আলোড়িত উদ্যোগ হল ু এক টাকায় আহার। এ বছর মে মাসের প্রথম দিকে চট্টগ্রামেই শুরু হয় এ কার্যক্রম। এরপর ছড়িয়ে যায় দেশব্যাপি এদের আরো চারটি শাখায়-ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, রাজবাড়ি ও রামুতে। শুরুতে নিজস্ব অর্থায়নে প্রতিদিন দুইবেলা ভাত সবজি ভর্তা আর সপ্তাহান্তে দুই দিন মাছ, মাংস উন্নতখাবার দিয়ে আসলেও এখন এতে যুক্ত হয়েছে নানা অনুদান ও দাতাব্যক্তিদের সহযোগিতা।

খাদ্য বিতরণের পূর্বে স্বেচ্ছাসেবকদের সাথে গেলাম রেলস্টেশানের পাশে ছোট টিনশেডের কলোনীতে একটা রুমে, বেতনভুক্ত রাঁধুনি দিয়ে রান্না হচ্ছে। এক টাকার বিনিময়ে যাবতীয় আহার। এদিনের দাতার ইচ্ছায় প্রায় অর্ধেক খাবার চলে গেছে এতিমখানায়, আর প্রতিদিনের নিয়মিত এক টাকার শিশু গ্রাহকদের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে টিফিনবক্স। সেখানে কথা হচ্ছিল বিদ্যানন্দের স্বেচ্ছাসেবক অনন্ত আরাফাতের সাথে, তিনি জানালেন- কার্যক্রম শুরু থেকে এ পর্যন্ত প্রায় দেড় লাখ সুবিধাবঞ্চিত শিশুর মাঝে এক টাকার খাবার বিতরণ করা হয়েছে। সেইসাথে এবারের বন্যায় উত্তরবংগে টানা পনের দিন নৌকা নিয়ে ঘুরে ঘুরে ৫৪ হাজার দরিদ্র শিশুর মধ্যে খাবার বিতরণ করা হয়েছে এবং গত রমজান মাসে ইউনিলিভারের সরাসরি অংশগ্রহণের মাধ্যমে আরও ৩৫ হাজার মানুষের মধ্যে খাবার বিতরণ করা হয়। এ সময় আরেক স্বেচ্ছাসেবক মাহের জানালেন, আজকে শিশুদের সাথে জন্মদিনের কেক কাটা হবে। এটা কি রকম? তিনি ব্যাখ্যা করলেন, প্রতিমাসেই কোন না কোন দিন বড় একটা কেক কাটা হয় প্রতীকী জন্মদিন পালন হিসেবে। পরে স্টেশানে খাবার বিতরনের সময় দেখা গেল জন্মদিনের ব্যানার, বেলুন ঝুলিয়ে বড় একটা কেকে মোমবাতিতে ফুঁ দিচ্ছে উদোমগায়ের একদল শিশু। খাবারের পাশাপাশি সেই কেক টুকরো করে সব শিশুদের হাতে তুলে দেয়া হল।

এ দিনের কার্যক্রম শেষে হাজির হয়েছিলাম ষোলশহর দুই নাম্বার গেট সংলগ্ন বিদ্যানন্দের চট্টগ্রাম অফিসে। সেখানে কথা হয় এ শাখার পরিচালক, নাফিজ চৌধুরীর সাথে। তাঁর থেকে জানা গেল, ভিক্ষাবৃত্তিকে নিরুৎসাহিত করতেই শিশুদের কাছ থেকে খাদ্যের বিনিময়ে একটাকা নেয়া হচ্ছে। শিশুরা যাতে বুঝে, এটা ভিক্ষা নয় বরং একটাকার বিনিময়েই তারা খাদ্যটা কিনে নিচ্ছে আমাদের কাছে।

বিদ্যানন্দের প্রধান উদ্যোক্তা প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিক কিশোর কুমার দাশ, যিনি পেরুতে কাজ করছেন বিশ্ববিখ্যাত প্রতিষ্ঠান গুগলে, পড়াশোনা করেছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে(চুয়েটে), তাঁর পরিকল্পনায় ‘এক টাকার আহার’ কার্যক্রম শুরু হয়। কিশোর কুমার দাশের সাথে অনলাইনে কথা বলে জানতে পারি, শিশুকালে ক্ষুধার কষ্ট আর মন্দির থেকে ফ্রি খাবার নেয়ার সময় শৈশবেই এমন কিছু করার মনস্থ করেন তিনি। এর মাধ্যমে অন্তত কিছু শিক্ষার্থী হলেও ক্ষুধার জন্য পড়ালেখা থেকে যাতে ঝরে না পড়ে সে প্রচেষ্টা করে যাচ্ছেন তারা। শুধুমাত্র দাতাদের দান ও ভর্তুকি দিয়ে এ কার্যক্রম বেশিদিন চলা সম্ভব কিনা। এ ব্যাপারে তিনি আরো জানান, “না, সম্ভব না। সেটা ইচ্ছাও নেই। আমি চেয়েছি দেশের কর্তাব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানের জন্য একটা মডেল সেট করতে। আমি নিশ্চিত কেউ না কেউ একে সাস্টেইনেবল স্কেলে নিয়ে যাবে”। অফিসেই আরেক স্বেচ্ছাসেবক সৌরভ দেবনাথ জানালেন, আমরা শিশুদের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার দিকে নজর দিতে এ সপ্তাহেই শুরু করেছি ‘এক টাকায় চুল কাটা’। প্রথম দিনই তিনটা শাখায় এক টাকার বিনিময়ে ১০ জন শিশুর চুলকাটার ব্যবস্থা করে দিয়েছি। শীঘ্রই এ কার্যক্রমটিও বড় পরিসরে শুরু করার কথা জানান তিনি।

কিশোর কুমার দাশ পেরুতেও নিজ উদ্যোগে গত জুলাই থেকে এ কার্যক্রম শুরু করেছেন। বিদেশী পর্যটকদের মাধ্যমে পেরুতে অবস্থিত কিশোর কুমারের হোস্টেলের আয়সহ স্থানীয় কোম্পানির অর্থায়নে কাজটি হয়। দেখা গেছে, সেখানেও ‘এক টাকায় আহার’ বেশ সাড়া ফেলেছে স্থানীয়দের মধ্যে, যার কারণে প্রচুর পরিমান স্বেচ্ছাসেবক নিজেদের যুক্ত করেছেন এ কাজে। সেখানকার মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে বাংলাদেশের মানুষদের এ ধরনের নিঃস্বার্থ কাজের উদাহরণ। কোন ধরনের কর্পোরেট সাহায্য ছাড়াই পরিচালিত এ উদ্যোগের কথা ছড়িয়ে পড়ছে মানুষের মুখে মুখে। তিনি বিদ্যানন্দের অন্যান্য কার্যক্রমের সফলতার পর এবার প্রত্যন্ত অঞ্চলে নিয়মিত পাঠকার্যক্রমকে ছড়িয়ে দিতে ভিডিও টিউটোরিয়াল প্রস্তুতের উদ্যোগের কথা জানান। তাঁরই আগ্রহে ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে বিদ্যানন্দের স্বেচ্ছাসেবকরা ছুটে গিয়েছিলেন রংপুর গোবিন্দগঞ্জে অপরাজনীতির শিকার রাষ্ট্রনিপীড়িত সাঁওতালপল্লীতে। সেখানে তারা বিনামূল্যে খাবার বিতরণ ও দীর্ঘদিন শিশুদের পাঠদান করেন। অসহায় সাঁওতালদের পাশে দাঁড়ানো নিয়ে গণমাধ্যমে আলোচিত হয়েছে বিদ্যানন্দের এ উদ্যোগের খবরও।

অনেকে জন্মদিন সহ নানা উপলক্ষ্যে বিদ্যানন্দের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত ছিন্নমূল শিশুদের মুখে অন্তত একবেলা খাবারের ব্যবস্থা করেন। বিদ্যানন্দের অফিসেই এরকম একজনের সাথে দেখা হল যিনি তাঁর এক পরিবারের সদস্যের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে শিশুদের খাওয়াতে ‘এক টাকায় আহার’র সাথে যুক্ত হতে চান। পুরো দেশে ৩০০ জনের মত নিয়মিত স্বেচ্ছাসেবক ও ২০ জন কর্মকর্তা এ সংগঠনের সাথে কাজ করছে নিরলসভাবে। এ ছাড়াও অনিয়মিত অনেকেই যুক্ত আছেন নানা কার্যক্রমে। নগরীর বিভিন্ন কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল শিক্ষার্থীরা বেশ আগ্রহের সাথে যুক্ত হচ্ছেন স্বেচ্ছাসেবায়। বছর শেষে দেশব্যাপী আটটি শাখায় এখন ১২০০ সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান করা হচ্ছে। রামুতে শত এতিম শিশুর সব মৌলিক চাহিদা পূরণে চালু হয়েছে অনাথ আশ্রম ও এতিমখানা ‘সম্প্রীতি অনাথালয়’। অনাথ আশ্রমের তত্ত্বাবধায়ক হ্লাতুন সেইং থেকে জানতে পারি, এখানে আশ্রয় মিলেছে দুর্গম পাহাড়ের গরীব ও শিক্ষাবঞ্চিত অনেক আদিবাসী শিশুসন্তানদেরও। প্রতিদিনই নিজেদের শিশুসন্তানদের শুধুমাত্র বিনামূলে আহার ও শিক্ষার জন্য এখানে ধরণা দিচ্ছে দুরদূরান্ত থেকে আগত আদিবাসী পরিবার। রুটি নিজেকেই বানাতে হয়, নিজেদের সবজি চাষ করতে হবে নিজেকে, এমনকি চুলও কাটতে হবে একে অপরের।” - সম্প্রীতি অনাথালয়ের ছাত্রছাত্রীদের এই জীবন নীতিতে গড়ে তোলা হচ্ছে। এই এতিম শিশুরা দলভিত্তিকভাবে দায়িত্ব পালন করছে রান্নায় সাহায্য করায়, ছোটদের লেখাপড়ায়, আর কারো পরিচ্ছন্নতায়। এভাবেই গড়ে উঠছে বিদ্যানন্দের এতিমখানাটি।

শায়েস্তা খাঁনের যুগের এক টাকায় এক বস্তা চাল এখনের জীবননির্বাহের জন্য হাস্যকর হয়ে উঠলেও ছিন্নমূল শিশুদের জন্য বিদ্যানন্দের এক টাকায় আহার কিন্তু সে দিক দিয়ে ব্যতিক্রমী ও সামাজিক দায়বদ্ধতার এক অনন্য উদাহরণ। কিছুদিন আগেও যখন রাষ্ট্রীয় মন্ত্রী মন্তব্য করেন, দুই টাকায় কিছুই পাওয়া যায় না। তখন ষোলশহর স্টেশানের এক শিশু সাবিনা ছোট স্বরে বলে ু আমরা এক টাকায় ভাত খাই। বিদ্যানন্দই সাবিনা, মিনহাজ, হান্নান, জান্নাতদের মত শিশুদের জন্য এ স্বপ্ন সত্যি করে তুলেছে।

যাদের অনেকেই হয়তো ক্ষুধার অভাবে ও শিক্ষাসামগ্রী কিনতে অসামর্থ্যতার কারণে শিক্ষা অর্জন থেকে অল্পতেই ঝরে পড়ে। নিম্ন মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের পরিবারের অনেকেই হিমশিম খায় বিদ্যালয়গুলোতে সন্তানদের শিক্ষার খরচ যোগাতে, স্বপ্ন। থাকলেও অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীই পারে না বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছতে। কিন্তু কিশোর কুমার দাশের এই উদ্যোগের ফলে অসংখ্য মহৎপ্রাণের মানুষের দান, অর্থ প্রদান ও স্বেচ্ছাসেবকদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে অসহায় সুবিধাবঞ্চিত অনাথ গরিব শিশু কিশোরদের স্বপ্নপূরণে কাজ করে চলেছে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন। গত ২২ ডিসেম্বর বিদ্যানন্দ প্রতিষ্ঠার ৩য় বৎসর পূর্তি হয়েছে। এদিন সংগঠনটির পরিচালিত স্কুলসমূহে শিশু কিশোর, সংগঠক ও স্বেচ্ছাসেবকদের কেক কাটার মাধ্যমে পালিত হয়েছে বিদ্যানন্দ দিবস। নতুন বছরে পদার্পন উপলক্ষে সংগঠনটির প্রতি রইল শুভ কামনা।

পাঠকের মন্তব্য [০]   |    [২০২৯] বার পঠিত

মন্তব্য প্রদানের জন্য( সাইনইন) করুন । নতুন ইউজার হলে (নিবন্ধন ) করুন ।