শিরোনাম : এইচ এস সি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল জানতে ক্লিক করুন এবং চট্টগ্রাম বোর্ডের ওয়েবসাইট চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৬১.০৯, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩৯১ Stop button Start button

 

  ফেইসবুকে ভক্ত হোন টুইটারে ভক্ত হোন গুগল প্লাস এ ভক্ত হোন। সাহায্য বিজ্ঞাপন শুল্ক পাঠক প্রতিক্রিয়া রেজিস্ট্রেশন

 

১৮ জুলাই মঙ্গলবার ২০১৭ খ্রিঃ ৩ শ্রাবন ১৪২৪ সাল ২৩ শাওয়াল ১৪৩৮ হিজরি
চট্রগ্রাম
আজকের দিনের তাপমাএা সংরক্ষিত নেই।

আজকে অনলাইন জরিপের জন্য কোন প্রশ্ন সংরক্ষিত নেই।
প্রথম পাতা   বিস্তারিত  

কী আছে ইসির রোডম্যাপে ।। বিএনপির হতাশা কোন জায়গায়?

আজাদী প্রতিবেদন

নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত ‘রোডম্যাপ’ নয়, বরং একাদশ সংসদের নির্বাচনী পরিবেশ নিয়েই চিন্তিত বিএনপি। তাই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্যে গত রোববার প্রধান নির্বাচন কমিশনার যে সাতটি কর্মরিকল্পনা বা রোডম্যাপ ঘোষণা করেছেন তা নিয়ে খুব বেশি আপত্তিও নেই দলটির। বরং দলটি এখনো তাদেরকে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড চালানোর সুযোগ দেয়ার পাশাপাশি নিবার্চনকালীন সহায়ক সরকারের দাবিতেই অটল আছেন।

এদিকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ দলীয় অবস্থান থেকে এখন পর্যন্ত রোডম্যাপ নিয়ে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয় নি। ঘোষিত রোডম্যাপের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া দেখেই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়া হবে দলটি থেকে। এমনকি এ বিষয়ে আগ বাড়িয়ে বক্তব্য না দিতে দলটির নেতাকর্মীদের উপর নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে কেন্দ্রীয়ভাবে। দলটির সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইসির ঘোষিত রোডম্যাপ নিয়ে অতি উৎসাহী না হতে মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতাদের পরামর্শ দিয়েছেন বলেও বিভিন্ন গণমাধ্যমে বলা হচ্ছে। যদিও গতকাল দৈনিক আজাদীসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের কাছে আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন নেতা ঘোষিত রোডম্যাপকে বাস্তবসম্মত বলেছেন।

এদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ঘোষিত রোডম্যাপকে নির্বাচন কমিশনের রুটিন ওয়ার্ক হিসেবে দেখছেন। তারাও সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে রোডম্যাপ বাস্তবায়ন উচিত বলে মনে করেন।

কি আছে ঘোষিত রোডম্যাপে : একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গত রোববার রাজধানীর আগামী দেড় বছরের কর্মপরিকল্পনা বা রোডম্যাপ ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম শামসুল হুদা। সাত কর্মপরিকল্পনাগুলো হচ্ছে- আইনি কাঠামো পর্যালোচনা ও সংস্কার, নির্বাচন প্রক্রিয়া সহজীকরণ ও যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সবার পরামর্শ গ্রহণ, সংসদীয় এলাকার সীমানা পুনর্নির্ধারণ, নির্ভুল ভোটার তালিকা প্রণয়ন এবং সরবরাহ, বিধি-বিধান অনুসরণপূর্বক ভোটকেন্দ্র স্থাপন, নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন ও নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের নিরীক্ষা এবং সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট সবার সক্ষমতা বৃদ্ধির কার্যক্রম গ্রহণ।

প্রসঙ্গত, সংবিধান অনুযায়ী ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারির মধ্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে নির্বাচন করতেই রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে ইসি। ঘোষিত রোডম্যাপের অংশ হিসেবে আগামী ৩১ জুলাই সুশীল সমাজের সঙ্গে সংলাপে বসবে নির্বাচন কমিশন। এরপর আগস্ট মাসে গণমাধ্যমের সাথে, আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে, অক্টোবর মাসে নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থা, নারী নেতা এবং নির্বাচন পরিচালনা বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে সংলাপ করা হবে। এরপর নভেম্বর মাসে এসব সংলাপ থেকে পাওয়া সুপারিশের প্রাথমিক খসড়া তৈরি করে ডিসেম্বর মাসেই সুপারিশ চূড়ান্ত করা হবে।’

নির্বাচনী পরিবেশ নিয়েই চিন্তিত বিএনপি : বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান গতকাল দৈনিক আজাদীকে বলেন, ‘গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা বা বাস্তবায়নের জন্য অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান হচ্ছে নির্বাচন কমিশন। কিন্তু নির্বাচনী পরিবেশ যদি না থাকে তাহলে সেই কমিশন কিভাবে কাজ করবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রয়োজন নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কাজে যারা থাকবেন তারা দলীয় কোন এজেন্ডা বাস্তবায়ন করবেন, সে আশঙ্কা না থাকা। কিন্তু একটি দলের অধীন যখন নির্বাচন হবে তখন তো সেই আশঙ্কা থেকেই যায়।’

বিএনপি’র মূল আপত্তির জায়গা সম্পর্কে জানতে চাইলে দলটির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য আজাদীকে বলেন, ‘আমাদের মহাসচিব তো বলেছেনই, ‘রোডই ঠিক হয় নি সেখানে ম্যাপ কিভাবে হবে?’ নির্বাচন কিভাবে হবে সেটা নিয়ে আমাদের প্রস্তাব আছে, সেটা নিয়ে আলোচনা হতে হবে। তারা (সিইসি) ‘সংসদীয় এলাকার সীমানা পুননির্ধারণ’র কথা বলছেন। এটা তো আমরা আগেই বলেছি। তারা (সিইসি) প্রাতিষ্ঠানিক বিষয়ে আইন অনুযায়ী বলেছেন। সেটা বিষয় না। কিন্তু কিভাবে নির্বাচনটা হবে সেটা তো ঠিক করতে হবে।’

অপর এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোকে সভা-সমাবেশ করতে দিচ্ছেন না। অথচ এ বিষয়ে ইসির যে বক্তব্য তাতে দায়িত্ব এড়ানোর চেষ্টা ছিল। ইসি হচ্ছে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। গণতন্ত্র কিভাবে ফিরিয়ে আনবে সে বিষয়ে কাজ করবে প্রতিষ্ঠানটি। তাই তাদের আরো বেশি দায়িত্বশীল হতে হবে।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রবের বাসায় বাসায় সামাজিক অনুষ্ঠানে পুলিশ বাধা দিয়েছিল। এ প্রসঙ্গে গত রোববার সাংবাদিকদের প্রশ্নে সিইসি বলেছিলেন, ‘এটা সরকারের বিষয়।’ সেদিন সিইসি কে এম নুরুল হুদা এটাও বলছেন, ‘কোন দল সভা করবে আর কোন দল সভা করবে না সেটা তফশিল ঘোষণার আগ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ারের বিষয় না’। মূলত, নজরুল ইসলাম খান সিইসির এই বক্তব্যের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন।

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন’ (ইভিএম) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দুরকম বক্তব্য রয়েছে উল্লেখ করে নজরুল ইসলাম খান দৈনিক আজাদীকে বলেন, ‘যেদিন সিইসি রোডম্যাপ ঘোষণা করেছিল তার আগেরদিন তাঁর সঙ্গে আমার কথা হয়েছিল। তিনি বলেছিলেন, ইভিএম থাকবে না। তাদের রোডেম্যাপেও সেটি ছিল না। অথচ সাংবাদিকদের প্রশ্নে সিইসি ভিন্ন কথা বলছেন। সিইসি একবার বলছেন, রাজনৈতিক দল আপত্তি করলে ইভিএম থাকবে না। আবার বলছেন, সরকারের সহায়তা ও দলের সম্মতি দেখে বাস্তবসম্মত হলে ইভিএম ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। এখন প্রশ্ন এই রাজনৈতিক দল কোনগুলো?

ইসি’র ঘোষিত রোড ম্যাপ নিয়ে গতকাল বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাজধানীতে এক আলোচনা সভায় বলেছেন, ‘নির্বাচন কমিশন একাদশ নির্বাচনের কর্ম পরিকল্পনা দিয়েছে। খুব ভালো কথা। রাস্তাটা কৈ? ইলেকশন করবে কে? রাজনৈতিক দলগুলোতো। তাদেরকে যে আপনি নির্বাচনে নিয়ে যাবেন, তার রাস্তা কোথায়? হোয়ার ইজ দ্যা রোড। ম্যাপ দিয়ে দিচ্ছেন, এই করছেন, ওই করছেন, অথচ রাস্তাই নাই। সারা দেশে রাস্তা তো আপনারা খানা-খন্দক খুঁড়ে শেষ করে দিয়েছেন, প্র্যাকটিক্যালি গোটা ঢাকাতে তাই, বাংলাদেশেও তাই। সেভাবেই নির্বাচনের রাস্তাকে আপনারা খান-খন্দক খুঁড়ে শেষ করে দিয়েছেন। নির্বাচনে যাতে বিরোধী দল যেতে না পারে, তার জন্য আপনারা ব্যবস্থা করছেন।’ অবশ্য এর আগে গত পরু রোববার নিবাচন রোডম্যাপ ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেছিলেন, ‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্দলীয় সহায়ক সরকার ছাড়া রোডম্যাপ দিয়ে দেশে চলমান রাজনৈতিক সংকট সমাধান সম্ভব নয়।’

আপাতত কিছু বলছে না আওয়ামী লীগ :

ঘোষিত রোড ম্যাপ সম্পর্কে জানতে চাইরে গত রাতে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ দৈনিক আজাদীকে বলেন, ‘আমাদের দলের সাধারণ সম্পাদক তো বলেছেন, বাস্তবায়নের অগ্রগতি দেখেই জানাবেন।’

বিএনপি মহাসমচিবের বক্তব্যপ্রসঙ্গে জানতে চাইলে ড. হাছান মাহমুদ দৈনিক আজদীকে বলেন, ‘বিএনপি তো কানাগলিতে ঘুরপাক খাচ্ছে। তাই তারা কোন রোড দেখতে পাচ্ছে না’। ইসির গোষিত রোডম্যাপকে বাস্তবসম্মত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে গতকাল দুপুরে ‘ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটিতে’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারাদিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি বিএনপি’র উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, ‘২০১৪ সালের মতো ষড়যন্ত্র না করে রোডম্যাপ অনুসারে ইসি কোনো সহযোগিতা চাইলে রাজনৈতিক দল হিসেবে সহযোগিতা করুন। এখনও রোড না খুঁজে কানাগলির মধ্যে পথ খুঁজলে নেতাকর্মীরা হতাশ হবে।’

এদিকে ঘোষিত রোডম্যাপ নিয়ে দলীয় জায়গা থেকে কথা বলেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। গতকাল মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেছেন, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পক্ষে সিইসি নির্বাচনের যে রোডম্যাপ ঘোষণা করেছেন এ ব্যাপারে এ মুহূর্তে আওয়ামী লীগের যে বক্তব্য সেটা হচ্ছে, ঘোষিত রোডম্যাপ নিয়ে নির্বাচন কমিশন পথ চলবে। এ রোডম্যাপের বাস্তবায়নের অগ্রগতি দেখে আমরা কথা বলবো। তারা যা বলেছেন সেটা রোডম্যাপ। আমরা একটু বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াটা দেখতে চাই। আরও কিছু সময় নিয়ে এ ব্যাপারে কথা বলবো।’

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা যেভাবে দেখছেন:

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহইয়া আকতার দৈনিক আজাদীকে বলেন, ‘ঘোষিত রোডম্যাপ বা কর্মপরিকল্পনা তো রুটিন ওর্য়াক। এই রোডম্যাপ দিয়েছে সেটা ভাল। রোডম্যাপের মূল উদ্দেশ্য তো সৃশৃঙ্খলভাবে সুষ্ঠু পরিবেশে নির্বাচন করা। কিন্তু এই রোডম্যাপ ঘোষণার আগে তো সিইসির জেনে নেয়া উচিত ছিল, কেমন সরকারের অধীনে তারা নির্বাচন করবেন। এতে রোডম্যাপ বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নিতে তাদের সহজ হতো। কারণ, একটি দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের প্রস্তুতি আর নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার বা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন তো এরকম হবে না। নিশ্চয়ই সেটা ইসি গত ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে দেখেছেন। পরবর্তীতে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনেও দেখেছেন। তাই আমার প্রশ্ন, কোন সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে সেটি তারা জানতে চায় না কেন?

সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ প্রসঙ্গে বিএনপি’র অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ড. ইয়াহইয়া আকতার বলেন, ‘এটা তো ঠিক। একদল প্রচারণা করবেন, সভা-সমাবেশ করবেন কিন্তু অন্যদল করবে না করবে না তা তো উচিত না। ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ যেটা বলে সেটা না থাকলে নির্বাচন তো সুষ্ঠু হবে তার নিশ্চয়তা নেই। অতীতে তো সেটায় দেখেছি।

কিন্তু প্রধান নির্বাচন কমিশনার তো বলেছেন, ‘কোন দল সভা করবে আর কোন দল সভা করবে না সেটা তফশিল ঘোষণার আগ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ারের বিষয় না।’ তাহলে ইসিকে নিয়ে প্রশ্ন করার সুযোগ কোথায়? এমন প্রশ্নে ড. ইয়াহইয়া বলেন, সেট ঠিক। কিন্তু এখনো তফশিল ঘোষণা করা হয় নি। সেটি তো অনেক দেরিও আছে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে ‘ইসি ইনডাইরেক্টলি’ অনেক কিছু করতে পারে।

রোড ম্যাপ অনুযায়ী আগামী ৩১ জুলাই সুশীল সমাজের সঙ্গে সংলাপে বসবে নির্বাচন কমিশন’। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটাও রুটিন ওয়ার্ক। শামসুল হুদা কমিশন ৩৬ জন এবং রাকিব কমিশন ৫১ জনের সঙ্গে সংলাপ করেছিলেন। কিন্তু এরা ছিল ঢাকার। ঢাকার বাইরে কি সুশীল সমাজের কেউ ছিল না। ইসি কি রাজধানীর? তাছাড়া অতীতে যাদের সঙ্গে সংলাপ হয়েছিল তাদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি, এদের সবার নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে অভিজ্ঞতা ছিল না। কয়েকজনের ছিল। তাই আমাদের প্রস্তাব থাকবে, সারাদেশ থেকেই সুশীল সমাজের প্রতিনিধি বাছাই করা হোক। যদি যোগ্য থাকেন। তবে আমাদের জানামতে আছেন। 

পাঠকের মন্তব্য [০]   |    [৩৭৪] বার পঠিত

মন্তব্য প্রদানের জন্য( সাইনইন) করুন । নতুন ইউজার হলে (নিবন্ধন ) করুন ।