শিরোনাম : সিয়াম সাধনার নানা প্রস্তুতি ।। কাল থেকে শুরু পবিত্র রমজান সব মূর্তি অপসারণ দাবি! ।। গ্রিক দেবীকে অন্য কোথাও স্থান দেয়া যাবে না : হেফাজত চট্টগ্রামে সাত লাখ প্রি-পেইড মিটার লাগানোর নির্দেশ ।। চারটি প্রি-পেমেন্ট মিটারিং ভেন্ডিং স্টেশন উদ্বোধন করলেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ।। বিদ্যুৎতের ক্রাইসিস যাচ্ছে তবে পরিস্থিতি ভালোর পথে ভাস্কর্য সরানো নিয়ে প্রতিবাদ পুলিশের লাঠি টিয়ার গ্যাস লেকে পানি স্বল্পতা ।। কাপ্তাইয়ে পাঁচ জেনারেটরের মধ্যে উৎপাদনে আছে একটি Stop button Start button

 

  ফেইসবুকে ভক্ত হোন টুইটারে ভক্ত হোন গুগল প্লাস এ ভক্ত হোন। সাহায্য বিজ্ঞাপন শুল্ক পাঠক প্রতিক্রিয়া রেজিস্ট্রেশন

 

২০ মে শনিবার ২০১৭ খ্রিঃ ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪ সাল ২৩ শাবান ১৪৩৮ হিজরি
চট্রগ্রাম
আজকের দিনের তাপমাএা সংরক্ষিত নেই।

আজকে অনলাইন জরিপের জন্য কোন প্রশ্ন সংরক্ষিত নেই।
প্রথম পাতা   বিস্তারিত  

শিশুকে আছাড় মারা সেই ব্যক্তি গ্রেপ্তার

আজাদী প্রতিবেদন ।।

চুরির অভিযোগে এক টোকাইকে মধ্যযুগীয় কায়দায় পিটানো ও আছাড় মারার দায়ে অভিযুক্ত সেই মুয়াজ্জিন হাফেজ জসিম উদ্দিন (৩৮) ধরা পড়েছে। নির্যাতিত শিশু নয়ন মিয়াকেও খুঁজে পাওয়া গেছে। গতকাল শুক্রবার দৈনিক আজাদীতে এই সংবাদ প্রকাশের পর তোলপাড় শুরু হয় নগরজুড়ে। চকবাজার থানা পুলিশ অভিযানে নামে। বেলা সোয়া ১২টার দিকে হাফেজ জসিমের কর্মস্থল চান মিয়া মুন্সি লেইনের ইদ্রিছ জামে মসজিদ থেকে গ্রেপ্তার করা হয় তাকে। পরে বিকেল সোয়া ৫টার দিকে বগারবিল থেকে নয়ন মিয়ার খোঁজ মিলে।

চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর নূরুল হুদা আজাদীকে বলেন, বর্তমান সমাজেও কেউ এভাবে একটা শিশুকে মারতে পারে, তা ভাবা যায় না। ঘটনা জানার পর মসজিদ থেকে মুয়াজ্জিন জসিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বগারবিল থেকে নয়ন ও তার মায়ের খোঁজ পেয়ে থানায় নিয়ে আসি। অভিযুক্ত মুয়াজ্জিনের বিরুদ্ধে নয়নের মা লাকবানু বাদী হয়ে হত্যা চেষ্টার অভিযোগে মামলা করেছেন।

নির্যাতনের শিকার নয়ন গতকাল থানায় আজাদীকে জানায়, সে ও তার এক বন্ধু কাগজ কুড়ায়। বৃহস্পতিবার দুপুরে পানির তেষ্টা পেলে তারা নগরীর পশ্চিম বাকলিয়ার ডিসি রোডের চান মিয়া মুন্সি লেন এলাকায় ইদ্রিছ জামে মসজিদের ওজুখানায় পানি পান করতে যায়। এরই মধ্যে মুয়াজ্জিন তাদের ধাওয়া দেন। তিনি ভেবেছিলেন তারা পানির কল চুরি করতে গিয়েছিল। বাকলিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের গেটের সামনে মুয়াজ্জিন তাকে ধরে ফেলে, তার বন্ধু পালিয়ে যায। তাকে এলোপাথাড়ি কিল-ঘুষি মারতে থাকে। তিনি নয়নের বস্তা কেড়ে নিয়ে তার মুখে গুজে দেন, পরে তার গলা চেপে ধরে তাকে আছাড় মারেন। এসময় সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।

ওসি নূরুল হুদা জানান, নয়নের ভাষ্যের সত্যতা পাওয়া গেছে। তবে মুয়াজ্জিনের কথায় গড়মিল আছে। মুয়াজ্জিন বলছেন, মসজিদের নির্মাণ সামগ্রী ও স্পিকার চুরি যাওয়ার অপরাধে শিশুটিকে মারধর করেন তিনি।

গত বৃহস্পতিবার চুরির অভিযোগে একটা টোকাইকে মাথার উপর থেকে আছড়ে ফেলার দৃশ্য ফেইসবুকের মাধ্যমে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। এ দৃশ্য ধারণ করেন শেখ সাদী নামে একজন। তিনি জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে বাকলিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের গেটের সামনে থেকে তিনি ছবিগুলো তুলেছেন।

এদিকে অভিযোগ পাওয়া গেছে, স্থানীয় প্রভাবশালী দুই ব্যক্তি হুজুরকে ছাড়ানোর জন্য চেষ্টা চালাচ্ছেন। মুয়াজ্জিনের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই মর্মে তারা শিশু নয়ন ও তার মাকে বোঝানোরও চেষ্টা চালিয়েছে।

পাঠকের মন্তব্য [০]   |    [১২৪৫] বার পঠিত

মন্তব্য প্রদানের জন্য( সাইনইন) করুন । নতুন ইউজার হলে (নিবন্ধন ) করুন ।