শিরোনাম : এইচ এস সি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল জানতে ক্লিক করুন এবং চট্টগ্রাম বোর্ডের ওয়েবসাইট চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৬১.০৯, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩৯১ Stop button Start button

 

  ফেইসবুকে ভক্ত হোন টুইটারে ভক্ত হোন গুগল প্লাস এ ভক্ত হোন। সাহায্য বিজ্ঞাপন শুল্ক পাঠক প্রতিক্রিয়া রেজিস্ট্রেশন

 

২০ মে শনিবার ২০১৭ খ্রিঃ ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪ সাল ২৩ শাবান ১৪৩৮ হিজরি
চট্রগ্রাম
আজকের দিনের তাপমাএা সংরক্ষিত নেই।

আজকে অনলাইন জরিপের জন্য কোন প্রশ্ন সংরক্ষিত নেই।
প্রথম পাতা   বিস্তারিত  

আয়ারল্যান্ডকে সহজেই হারাল বাংলাদেশ

নজরুল ইসলাম ।।

প্রথম দুই ম্যাচ থেকে কোন জয় না পাওয়া বাংলাদেশ সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে এসে সহজ জয় তুলে নিয়েছে। মোস্তাফিজের দুর্দান্ত বোলিং এর পর সৌম্য সরকারের অসাধারণ ব্যাটিং বাংলাদেশকে সহজ জয় পাইয়ে দেয়। স্বাগতিক আয়ারল্যান্ডকে ৮ উইকেটে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালের পথে থাকল বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচটি বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হওয়ার পর দ্বিতীয় ম্যাচে এসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হেরে যায় বাংলাদেশ। তবে তৃতীয় ম্যাচে এসে স্বরূপে ফিরল বাংলাদেশ। ব্যাটে বলে একরকম উড়িয়ে দিল আইরিশদের। মোস্তাফিজ-মাশরাফির বোলিংয়ে স্বাগতিকদের ১৮১ রানে বেঁধে ফেলেছিল বাংলাদেশ। আর সে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ২৭.১ ওভার খেলেছে বাংলাদেশ।

১৮২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা বেশ ভালই করেছিল দুই ওপেনার তামিম ইকবাল এবং সৌম্য সরকার। এ দুজন ৯৫ রান করে বিচ্ছিন্ন হন। ৫৪ বলে ৭টি চারের সাহায্যে ৪৭ রান করে ফিরেন তামিম। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে সাব্বির রহমানকে নিয়ে ৭৬ রানের আরো একটি জুটি গড়েন সৌম্য সরকার। ৩৪ বলে ৩৫ রান করে সাব্বির ফিরলেও সৌম্য সরকারকে ফেরাতে পারেনি আইরিশ বোলাররা। শেষ পর্যন্ত ৬৮ বলে ১১টি চার এবং ২টি ছক্কার সাহায্যে অপরাজিত ৮৭ রানের একটি ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়ে তবেই ফিরেন সৌম্য সরকার। সিরিজে দুই ম্যাচে টানা দুই জয়ে ৮ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে নিউজিল্যান্ড। তিন ম্যাচে ৬ পয়েন্ট বাংলাদেশের। পরিত্যক্ত প্রথম ম্যাচ থেকে ২ পয়েন্ট নিয়ে সবার নিচে স্বাগতিক আয়ারল্যান্ড।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি স্বাগতিকদের। সবুজ উইকেটে রুবেল হোসেনের প্রথম ওভারটি মেডেনের পর মোস্তাফিজের দ্বিতীয় ওভারটিও ছিল মেডেন। তবে ওভারটি মেডেনের সঙ্গে একটি উইকেটও নেন কাটার মাস্টার। দিনের শুরুতেই বুঝা যাচ্ছিল মোস্তাফিজ কিছু একটা করবে আজ। শেষ পর্যন্ত সেটাই হলো। মোস্তাফিজের বোলিং এর সামনে দাঁড়াতেই পারেনি আয়ারল্যান্ড। মোস্তাফিজের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে খোঁচা মেরে সাব্বির রহমানের হাতে ধরা পড়েন পল স্টার্লিং। তবে দ্বিতীয় উইকেটে ঘুরে দাঁড়াতে থাকে আয়ারল্যান্ড। মাশরাফির বলে জীবন পেয়েও সুযোগ কাজে লাগাতে পরেননি আইরিশ অধিনায়ক পোর্টারফিল্ড। পরের ওভারেই মোসাদ্দেককে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে যান পোর্টারফিল্ড। পোর্টারফিল্ডের বিদায়ের পর খুব বেশি সময় উইকেটে থাকতে পারলেন না বালবিরনি। সাকিবের বলে বোল্ড হওয়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ৫ রান। চতুর্থ উইকেটে নেইল ও’ব্রায়ানকে নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন ইনজুরি থেকে ফেরা জয়েস। গড়ে তোলেন ৫৫ রানের জুটি। তবে এরপরই বিপজ্জনক হয়ে উঠা জুটি ভাঙেন মোস্তাফিজ। কাটার মাস্টারের বলে তামিম ইকবালের চমৎকার ক্যাচে সাজঘরে ফেরেন শূন্য রানে জীবন পাওয়া নেইল ও’ব্রায়ান। ব্যক্তিগত ৪৬ রান করে অভিষিক্ত সানজামুলের বল লং অন দিয়ে উড়াতে মারতে গেলে তামিমের হাতে ধরা পড়েন জয়েস। আর প্রথম উইকেটের দেখা পান সানজামুল। এরপর কেভিন ও’ব্রায়েনকে মোসাদ্দেক হোসেনের চমৎকার ক্যাচে পরিণত করেন মোস্তাফিজ। গ্যারি উইলসনকেও ফিরিয়ে দেন মোস্তাফিজুর রহমান। তবে অষ্টম উইকেটে বেরি ম্যাককার্থিকে সঙ্গে নিয়ে ৩৫ রানের জুটি গড়ে দুইশর দিকে এগিয়ে যেতে থাকে জর্জ ডকরেল। এ সময় আবার জুটি ভাঙেন সানজামুল। এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন ব্যারি ম্যাকার্থিকে। এরপর একই ওভারে জর্জ ডকরেল ও পেটার চেসকে মুশফিকের তালুবন্দি করেন মাশরাফি। আর আইরিশদের ইনিংস শেষ হয় ১৮১ রানে। বাংলাদেশের পক্ষে মোস্তাফিজ নেন ৪ উইকেট। এছাড়া মাশরাফি ও সানজামুল নেন ২টি করে উইকেট। ম্যাচের সেরা হওয়ার পথে মোস্তাফিজের কোন প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলনা। তাই তিনিই ম্যাচ সেরা।

পাঠকের মন্তব্য [০]   |    [১৯৭] বার পঠিত

মন্তব্য প্রদানের জন্য( সাইনইন) করুন । নতুন ইউজার হলে (নিবন্ধন ) করুন ।